ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
ই-পেপার দেখুন

জমজমাট পূজারতি, দর্শনার্থীদের ভিড়

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পূজা মণ্ডপগুলোতে চলছে দুর্গাপূজা। সন্ধ্যায় জমজমাট পূজারতি দেখতে ভীড় করছে দর্শনার্থীরা। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ভক্ত দর্শনার্থীদের সমাগমে মুখরিত হয়ে উঠেছে পূজা মণ্ডপগুলো।

রবিবার (২ অক্টোবর) সপ্তমীর সন্ধ্যায় উপজেলার মৈত্রী সংঘ ও দেবেন পাঠাগারের পূজা মণ্ডপে ছিলো দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের ভিড়।

দর্শনার্থী পূজা ঘোষ বলেন, মণ্ডপ পরিদর্শনে তিনি পটিয়া থেকে এসেছেন। মৈত্রী সংঘের সুশৃঙ্খল আয়োজন দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, অনেকগুলো মণ্ডপে গিয়েছি। এখানে আয়োজনটি ভিন্ন। ভালোই লাগছে আসতে পেরে।

নগরী থেকে আসা বাবলু দে বলেন, গ্রামের এতো সুন্দর আয়োজন দেখে ভালো লাগছে। নতুন জামা কাপড় পড়ে পরিবার নিয়ে ঘুরছি মণ্ডপে মণ্ডপে।

উপজেলায় এবার ৯২টি সার্বজনীন ও ৫০টি ব্যক্তিগত মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আইন শৃংখলা রক্ষায় পুলিশ, র‌্যাব, আনসার বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারিও চলছে বলে জানা গেছে।

মৈত্রী সংঘ ও দেবেন পাঠাগার পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বিভু দে বলেন, প্রতিবারই পূজা আয়োজনে নতুনত্ব আনার চেষ্টা থাকে। এবার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে মাহিষ্মতী সাম্রাজ্যের আদলে পুজা মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে।

সুষ্ঠুভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে মণ্ডপগুলোতে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মোহাম্মদ মামুন বলেন, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে কেউ অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্য নজরদারি বাড়িয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ট্যাগস :

আপনার মতামত লিখুন

জমজমাট পূজারতি, দর্শনার্থীদের ভিড়

আপডেট সময় ০১:১৬:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০২২

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পূজা মণ্ডপগুলোতে চলছে দুর্গাপূজা। সন্ধ্যায় জমজমাট পূজারতি দেখতে ভীড় করছে দর্শনার্থীরা। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ভক্ত দর্শনার্থীদের সমাগমে মুখরিত হয়ে উঠেছে পূজা মণ্ডপগুলো।

রবিবার (২ অক্টোবর) সপ্তমীর সন্ধ্যায় উপজেলার মৈত্রী সংঘ ও দেবেন পাঠাগারের পূজা মণ্ডপে ছিলো দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের ভিড়।

দর্শনার্থী পূজা ঘোষ বলেন, মণ্ডপ পরিদর্শনে তিনি পটিয়া থেকে এসেছেন। মৈত্রী সংঘের সুশৃঙ্খল আয়োজন দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, অনেকগুলো মণ্ডপে গিয়েছি। এখানে আয়োজনটি ভিন্ন। ভালোই লাগছে আসতে পেরে।

নগরী থেকে আসা বাবলু দে বলেন, গ্রামের এতো সুন্দর আয়োজন দেখে ভালো লাগছে। নতুন জামা কাপড় পড়ে পরিবার নিয়ে ঘুরছি মণ্ডপে মণ্ডপে।

উপজেলায় এবার ৯২টি সার্বজনীন ও ৫০টি ব্যক্তিগত মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আইন শৃংখলা রক্ষায় পুলিশ, র‌্যাব, আনসার বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারিও চলছে বলে জানা গেছে।

মৈত্রী সংঘ ও দেবেন পাঠাগার পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বিভু দে বলেন, প্রতিবারই পূজা আয়োজনে নতুনত্ব আনার চেষ্টা থাকে। এবার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে মাহিষ্মতী সাম্রাজ্যের আদলে পুজা মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে।

সুষ্ঠুভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে মণ্ডপগুলোতে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মোহাম্মদ মামুন বলেন, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে কেউ অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্য নজরদারি বাড়িয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।