ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
ই-পেপার দেখুন

অষ্টমী পূজার প্রধান আকর্ষণ কুমারী পূজা দেখার জন্য দূর দূরান্ত থেকে ভক্তদের ঢল

মহাষ্টমীর পূজায় অংশ নিতে ৩ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল থেকে বোয়ালখালীর শ্রী শ্রী জগদীশ্বরী কালি মন্দিরের মণ্ডপে ঢল নামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। অষ্টমী পূজার প্রধান আকর্ষণ কুমারী পূজা দেখার জন্য দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা যান মণ্ডপে। দেবী সাজে কুমারী রূপী এই প্রতিমা পূজার মর্মবাণী সমাজে নারীর মর্যাদা আর সম্মান প্রতিষ্ঠা করা।

বিহিত পূজা আর ব্রতোপবাসের মধ্য দিয়ে সকালে শুরু হয় মহাষ্টমীর আচার অনুষ্ঠান। সকাল থেকেই ঢাক ঢোলের শব্দ, ফুল চন্দন আর আরতিতে মুখর হয়ে ওঠে শ্রী শ্রী জগদীশ্বরী কালি মন্দির।

মহাষ্টমীর প্রধান আকর্ষণ কুমারী পূজা শুরু হয় সকাল এগারোটায়। জীবন্ত কুমারী নারীকে দেবী কল্পনা করে আরাধনা করা হয় এ পূজায়। শ্রদ্ধা জানানো হয় নারীর শক্তি, স্থিতি আর লয়ের ক্ষমতাকে। শ্রী শ্রী জগদীশ্বরী কালি মন্দিরে এ বছর যাকে দেবী রূপে পূজা করা হয় তার নাম সেজুতি দে। ১১ বছরের এই কন্যার শাস্ত্রীয় নাম রূদ্রানী।

নারী শক্তিকে প্রণতি জানিয়ে এ পূজা, তাই সকাল থেকে মণ্ডপে ছিল নারীদের ব্যাপক সমাগম। ভক্তরা বলছেন, নারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানোর বারতাই এ পূজার মাহাত্ম্য।

কুমারী পূজা শেষে অঞ্জলি নেন ভক্তরা। এরপর সন্ধ্যায় হয় সন্ধিপূজার আনুষ্ঠানিকতা। মঙ্গলবার মহানবমী। আর তারপরই আবারো সপরিবারে কৈলাসে ফিরে যাবেন দেবী দুর্গা এমনটাই বিশ্বাস সনাতন ধর্মাবলম্বীদের।

ট্যাগস :

আপনার মতামত লিখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অষ্টমী পূজার প্রধান আকর্ষণ কুমারী পূজা দেখার জন্য দূর দূরান্ত থেকে ভক্তদের ঢল

আপডেট সময় ০১:১০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০২২

মহাষ্টমীর পূজায় অংশ নিতে ৩ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল থেকে বোয়ালখালীর শ্রী শ্রী জগদীশ্বরী কালি মন্দিরের মণ্ডপে ঢল নামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। অষ্টমী পূজার প্রধান আকর্ষণ কুমারী পূজা দেখার জন্য দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা যান মণ্ডপে। দেবী সাজে কুমারী রূপী এই প্রতিমা পূজার মর্মবাণী সমাজে নারীর মর্যাদা আর সম্মান প্রতিষ্ঠা করা।

বিহিত পূজা আর ব্রতোপবাসের মধ্য দিয়ে সকালে শুরু হয় মহাষ্টমীর আচার অনুষ্ঠান। সকাল থেকেই ঢাক ঢোলের শব্দ, ফুল চন্দন আর আরতিতে মুখর হয়ে ওঠে শ্রী শ্রী জগদীশ্বরী কালি মন্দির।

মহাষ্টমীর প্রধান আকর্ষণ কুমারী পূজা শুরু হয় সকাল এগারোটায়। জীবন্ত কুমারী নারীকে দেবী কল্পনা করে আরাধনা করা হয় এ পূজায়। শ্রদ্ধা জানানো হয় নারীর শক্তি, স্থিতি আর লয়ের ক্ষমতাকে। শ্রী শ্রী জগদীশ্বরী কালি মন্দিরে এ বছর যাকে দেবী রূপে পূজা করা হয় তার নাম সেজুতি দে। ১১ বছরের এই কন্যার শাস্ত্রীয় নাম রূদ্রানী।

নারী শক্তিকে প্রণতি জানিয়ে এ পূজা, তাই সকাল থেকে মণ্ডপে ছিল নারীদের ব্যাপক সমাগম। ভক্তরা বলছেন, নারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানোর বারতাই এ পূজার মাহাত্ম্য।

কুমারী পূজা শেষে অঞ্জলি নেন ভক্তরা। এরপর সন্ধ্যায় হয় সন্ধিপূজার আনুষ্ঠানিকতা। মঙ্গলবার মহানবমী। আর তারপরই আবারো সপরিবারে কৈলাসে ফিরে যাবেন দেবী দুর্গা এমনটাই বিশ্বাস সনাতন ধর্মাবলম্বীদের।