ঢাকা ০৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বর্ণিল আয়োজনে পহেলা বৈশাখ বরণের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে উৎসবমুখর বোয়ালখালী Logo বোয়ালখালীতে মুরগির ঘরে ঢুকে পড়া মেছো বাঘ আটক Logo বোয়ালখালীতে দরবার-এ গাউছে হাওলার ৬৬তম ওরস শরীফ সম্পন্ন Logo বোয়ালখালীতে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে অর্ধলক্ষ টাকা জরিমানা Logo বোয়ালখালীতে ধর্মীয় বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, বৃত্তি প্রদান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান Logo বোয়ালখালীতে গুণীজন সম্মাননা ও শিক্ষা সহায়তা প্রদানের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ যুব পরিষদের যাত্রা শুরু Logo বোয়ালখালীতে যুব রেডক্রিসেন্টের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo বোয়ালখালীতে হকখালী খাল খনন কাজের উদ্বোধন করলেন এরশাদ উল্লাহ এমপি Logo বোয়ালখালী ঘাসফুল মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার মাহফিল Logo বোয়ালখালীর আকুবদণ্ডীতে মগধেশ্বরী মাতৃমন্দিরে মহোৎসব
ই-পেপার দেখুন

শবেবরাতে নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত নেই

  • বার্তা কক্ষ ::
  • আপডেট সময় ০৭:৫১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩
  • ৯৭৮ বার পঠিত

ডেক্স::শবেবরাতের নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত ও আমল নেই। তবে বিশেষ কিছু আমল করা যায়। আর বিশুদ্ধ মতানুসারে শবেবরাত ও শবেকদরের নফল আমলগুলো একাকী করণীয়। ফরজ নামাজ অবশ্যই মসজিদে জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হবে। এরপর যা কিছু নফল পড়ার, তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বে। তবে এ আমলগুলো করা যায়

১. এশা ও ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা।

২. দীর্ঘ সেজদায় দীর্ঘ নফল নামাজ পড়া। দুই রাকাত করে যত রাকাত সম্ভব এবং যে সুরা দিয়ে সম্ভব পড়তে থাকা। নির্দিষ্ট সুরা ও নির্ধারিত রাকাত-সংখ্যার কোনো নিয়ম নেই। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘এ রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) নামাজে অনেক দীর্ঘ সময় ধরে সেজদাবনত অবস্থায় পড়ে থাকতেন।’ (শুআবুল ঈমান বায়হাকি, হাদিস : ৩৫৫৪, তুহফাতুল আহওয়াজি : ৩/৩৬৭)

৩. সালাতুল হাজত পড়া। মনের নেক আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আল্লাহর রহমতের শরণাপন্ন হয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়া। এরপর আল্লাহর প্রশংসা ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি সালাম প্রেরণ করে আল্লাহর কাছে মনোবাসনা পূরণের জন্য দোয়া করা। (তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ)

৪. সালাতুত তাসবিহ পড়া। এটি চার রাকাতবিশিষ্ট নফল নামাজ। প্রতি রাকাতে ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ ৭৫ বার করে চার রাকাতে মোট ৩০০ বার পড়া। হাদিসে আছে, ‘মহান আল্লাহ এ নামাজ আদায়কারীর প্রথম-শেষ, অতীত-বর্তমান, ইচ্ছাকৃত-অনিচ্ছাকৃত, ছোট-বড় এবং প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব (সগিরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১২৯৭, রদ্দুল মুহতার : ২/২৭)

৫. বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ শরিফ পাঠ, জিকির-আজকারে মশগুল থাকা। (সুরা আহজাব, আয়াত : ৪১, মুসলিম, হাদিস : ৪০৮, দারেমি, হাদিস : ৩৩৮৪)

৬. তাওবা-ইস্তেগফার করা, সব মুমিন-মুসলমানের ইহকালীন-পরকালীন কল্যাণ ও ক্ষমাপ্রার্থনা করা এবং দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে কান্নাকাটি করে রাত কাটিয়ে দেওয়া। রাসুল (সা.) বলেন, ‘কাঁদো! যদি কাঁদতে না পারো তাহলে কাঁদার ভান করো।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪১৯৬)

৭. তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া। ইশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত নফল নামাজ আদায় করা হয়। এটাকে ‘সালাতুল লাইল’ বা তাহাজ্জুদ নামাজ বলে। তাহাজ্জুদ শেষ রাতে পড়া উত্তম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে উত্কৃষ্ট নামাজ হচ্ছে রাতের তাহাজ্জুদ নামাজ।’ (মুসলিম, হাদিস : ১১৬৩, ফাতাওয়া দারুল উলুম : ৪/২২৩, ২২৭)

৮. শবেবরাতের পরের দিন রোজা রাখা। এটি মুস্তাহাব আমল। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা অর্ধ শাবানের রজনী ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাও এবং দিনের বেলা রোজা রাখো।’ তা ছাড়া শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখার কথা সহিহ হাদিসে এসেছে এবং ওই দিন ‘আইয়ামে বিজ’ (চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ)-এর অন্তর্ভুক্ত। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৩৮৮, লাতায়িফুল মাআরিফ : ১/১৫১-১৫৭)

সূত্র ‌° কালের কন্ঠ ::

ট্যাগস :

আপনার মতামত লিখুন

বর্ণিল আয়োজনে পহেলা বৈশাখ বরণের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে উৎসবমুখর বোয়ালখালী

শবেবরাতে নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত নেই

আপডেট সময় ০৭:৫১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩

ডেক্স::শবেবরাতের নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত ও আমল নেই। তবে বিশেষ কিছু আমল করা যায়। আর বিশুদ্ধ মতানুসারে শবেবরাত ও শবেকদরের নফল আমলগুলো একাকী করণীয়। ফরজ নামাজ অবশ্যই মসজিদে জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হবে। এরপর যা কিছু নফল পড়ার, তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বে। তবে এ আমলগুলো করা যায়

১. এশা ও ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা।

২. দীর্ঘ সেজদায় দীর্ঘ নফল নামাজ পড়া। দুই রাকাত করে যত রাকাত সম্ভব এবং যে সুরা দিয়ে সম্ভব পড়তে থাকা। নির্দিষ্ট সুরা ও নির্ধারিত রাকাত-সংখ্যার কোনো নিয়ম নেই। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘এ রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) নামাজে অনেক দীর্ঘ সময় ধরে সেজদাবনত অবস্থায় পড়ে থাকতেন।’ (শুআবুল ঈমান বায়হাকি, হাদিস : ৩৫৫৪, তুহফাতুল আহওয়াজি : ৩/৩৬৭)

৩. সালাতুল হাজত পড়া। মনের নেক আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আল্লাহর রহমতের শরণাপন্ন হয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়া। এরপর আল্লাহর প্রশংসা ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি সালাম প্রেরণ করে আল্লাহর কাছে মনোবাসনা পূরণের জন্য দোয়া করা। (তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ)

৪. সালাতুত তাসবিহ পড়া। এটি চার রাকাতবিশিষ্ট নফল নামাজ। প্রতি রাকাতে ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ ৭৫ বার করে চার রাকাতে মোট ৩০০ বার পড়া। হাদিসে আছে, ‘মহান আল্লাহ এ নামাজ আদায়কারীর প্রথম-শেষ, অতীত-বর্তমান, ইচ্ছাকৃত-অনিচ্ছাকৃত, ছোট-বড় এবং প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব (সগিরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১২৯৭, রদ্দুল মুহতার : ২/২৭)

৫. বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ শরিফ পাঠ, জিকির-আজকারে মশগুল থাকা। (সুরা আহজাব, আয়াত : ৪১, মুসলিম, হাদিস : ৪০৮, দারেমি, হাদিস : ৩৩৮৪)

৬. তাওবা-ইস্তেগফার করা, সব মুমিন-মুসলমানের ইহকালীন-পরকালীন কল্যাণ ও ক্ষমাপ্রার্থনা করা এবং দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে কান্নাকাটি করে রাত কাটিয়ে দেওয়া। রাসুল (সা.) বলেন, ‘কাঁদো! যদি কাঁদতে না পারো তাহলে কাঁদার ভান করো।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪১৯৬)

৭. তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া। ইশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত নফল নামাজ আদায় করা হয়। এটাকে ‘সালাতুল লাইল’ বা তাহাজ্জুদ নামাজ বলে। তাহাজ্জুদ শেষ রাতে পড়া উত্তম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে উত্কৃষ্ট নামাজ হচ্ছে রাতের তাহাজ্জুদ নামাজ।’ (মুসলিম, হাদিস : ১১৬৩, ফাতাওয়া দারুল উলুম : ৪/২২৩, ২২৭)

৮. শবেবরাতের পরের দিন রোজা রাখা। এটি মুস্তাহাব আমল। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা অর্ধ শাবানের রজনী ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাও এবং দিনের বেলা রোজা রাখো।’ তা ছাড়া শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখার কথা সহিহ হাদিসে এসেছে এবং ওই দিন ‘আইয়ামে বিজ’ (চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ)-এর অন্তর্ভুক্ত। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৩৮৮, লাতায়িফুল মাআরিফ : ১/১৫১-১৫৭)

সূত্র ‌° কালের কন্ঠ ::