ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বর্ণিল আয়োজনে পহেলা বৈশাখ বরণের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে উৎসবমুখর বোয়ালখালী Logo বোয়ালখালীতে মুরগির ঘরে ঢুকে পড়া মেছো বাঘ আটক Logo বোয়ালখালীতে দরবার-এ গাউছে হাওলার ৬৬তম ওরস শরীফ সম্পন্ন Logo বোয়ালখালীতে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে অর্ধলক্ষ টাকা জরিমানা Logo বোয়ালখালীতে ধর্মীয় বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, বৃত্তি প্রদান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান Logo বোয়ালখালীতে গুণীজন সম্মাননা ও শিক্ষা সহায়তা প্রদানের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ যুব পরিষদের যাত্রা শুরু Logo বোয়ালখালীতে যুব রেডক্রিসেন্টের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo বোয়ালখালীতে হকখালী খাল খনন কাজের উদ্বোধন করলেন এরশাদ উল্লাহ এমপি Logo বোয়ালখালী ঘাসফুল মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার মাহফিল Logo বোয়ালখালীর আকুবদণ্ডীতে মগধেশ্বরী মাতৃমন্দিরে মহোৎসব
ই-পেপার দেখুন

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় মামার হাতে ভাগ্নি খুন, নানা-নানিকে কুপিয়ে জখম।

নিজেস্ব প্রতিনিধি(চট্টগ্রাম)::চট্টগ্রামের চন্দনাইশে নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে মামা নাজিম উদ্দীন (২৮) কতৃক ধর্ষণ হওয়ার পর হত্যার শিকার হয়েছেন আরজু আক্তার নামের এক তরুণী। তিনি পটিয়া সরকারি কলেজের স্নাতকের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে চন্দনাইশ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড দক্ষিণ গাছবাড়িয়া নয়াপাড়া এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আহত নানা-নানীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বৃহস্পতিবার নানার বাড়িতে আসে আরজু। ওইদিন সাতকানিয়ার খাগরিয়া এলাকার নাজিম উদ্দীনও খালার বাড়িতে বেড়াতে আসলে আরজুকে দেখে।আরজু নানার বাড়িতে থাকার বিষয়টি জানতে পেরে মঙ্গলবার গভীর রাতে নাজিম তার খালার বাড়িতে যায়।

রাত আনুমানিক ২টার দিকে আরজু বাথরুমে গেলে সুযোগ বুঝে নাজিমও বাথরুমে ঢুকে প্রথমে ভাগনিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে আরজুর মুখের ভিতর কাপড় ডুকিয়ে ওড়না দিয়ে পেছিয়ে তাকে হত্যা করে বলে পরিবার ও স্থানীয়দের ধারণা।

পরে মেয়ের চিৎকার শুনে নানা-নানির ঘুম ভেঙে  গেলে বিষয়টি দেখে ফেলে। জানাজানি হবার ভয়ে নাজিম তাদেরকে জবাই করে হত্যা করার চেষ্টা করে। তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে নাজিম পালিয়ে যায়।

এসময় স্থানীয়রা রক্তান্ত অবস্থায় আবদুল হাকিম (৭৫) ও ফরিদা বেগমকে (৬০) উদ্ধার করে চন্দনাইশ হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করে দায়িত্বরত চিকিৎসক।

ফরিদা বেগমের অবস্থা আংকাজনক বলে জানা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আরজুর লাশ উদ্ধার করে চন্দনাইশ পুলিশ নিয়ে গেছে।

চন্দনাইশ থানার ডিউটি অফিসার এসআই আমিনুল্লাহ জানান, মেয়ে নানার বাড়িতে বেড়াতে আসে। এরপর নাজিমও বেড়াতে আসে সেখানে। মেয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে উঠলে সুযোগ বুঝে নাজিম ভাগনি আরজুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে শ্বাসরোধ করে আরজুকে হত্যা করে। নানি দেখে ফেলায় নানা এবং নানি দুজনকেই কুপিয়ে জবাই করার চেষ্টা করে।

তারা দুজন এখন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। লাশের সুরুতহাল প্রতিবেদন তৈরীর ময়না তদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই বিষয় নিয়ে চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে কথা বলেলে তিনি বলেন এই ঘটনায় কোন মামলা রুজু করা হয়নি, কিন্তু ঘটনা সঠিক। কেন মামলা হয়নি তা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ব্যস্ত আছি পরে আপনার সাথে কথা বলবো।

ট্যাগস :

আপনার মতামত লিখুন

বর্ণিল আয়োজনে পহেলা বৈশাখ বরণের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে উৎসবমুখর বোয়ালখালী

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় মামার হাতে ভাগ্নি খুন, নানা-নানিকে কুপিয়ে জখম।

আপডেট সময় ০৭:৫২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

নিজেস্ব প্রতিনিধি(চট্টগ্রাম)::চট্টগ্রামের চন্দনাইশে নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে মামা নাজিম উদ্দীন (২৮) কতৃক ধর্ষণ হওয়ার পর হত্যার শিকার হয়েছেন আরজু আক্তার নামের এক তরুণী। তিনি পটিয়া সরকারি কলেজের স্নাতকের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে চন্দনাইশ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড দক্ষিণ গাছবাড়িয়া নয়াপাড়া এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আহত নানা-নানীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বৃহস্পতিবার নানার বাড়িতে আসে আরজু। ওইদিন সাতকানিয়ার খাগরিয়া এলাকার নাজিম উদ্দীনও খালার বাড়িতে বেড়াতে আসলে আরজুকে দেখে।আরজু নানার বাড়িতে থাকার বিষয়টি জানতে পেরে মঙ্গলবার গভীর রাতে নাজিম তার খালার বাড়িতে যায়।

রাত আনুমানিক ২টার দিকে আরজু বাথরুমে গেলে সুযোগ বুঝে নাজিমও বাথরুমে ঢুকে প্রথমে ভাগনিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে আরজুর মুখের ভিতর কাপড় ডুকিয়ে ওড়না দিয়ে পেছিয়ে তাকে হত্যা করে বলে পরিবার ও স্থানীয়দের ধারণা।

পরে মেয়ের চিৎকার শুনে নানা-নানির ঘুম ভেঙে  গেলে বিষয়টি দেখে ফেলে। জানাজানি হবার ভয়ে নাজিম তাদেরকে জবাই করে হত্যা করার চেষ্টা করে। তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে নাজিম পালিয়ে যায়।

এসময় স্থানীয়রা রক্তান্ত অবস্থায় আবদুল হাকিম (৭৫) ও ফরিদা বেগমকে (৬০) উদ্ধার করে চন্দনাইশ হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করে দায়িত্বরত চিকিৎসক।

ফরিদা বেগমের অবস্থা আংকাজনক বলে জানা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আরজুর লাশ উদ্ধার করে চন্দনাইশ পুলিশ নিয়ে গেছে।

চন্দনাইশ থানার ডিউটি অফিসার এসআই আমিনুল্লাহ জানান, মেয়ে নানার বাড়িতে বেড়াতে আসে। এরপর নাজিমও বেড়াতে আসে সেখানে। মেয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে উঠলে সুযোগ বুঝে নাজিম ভাগনি আরজুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে শ্বাসরোধ করে আরজুকে হত্যা করে। নানি দেখে ফেলায় নানা এবং নানি দুজনকেই কুপিয়ে জবাই করার চেষ্টা করে।

তারা দুজন এখন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। লাশের সুরুতহাল প্রতিবেদন তৈরীর ময়না তদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই বিষয় নিয়ে চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে কথা বলেলে তিনি বলেন এই ঘটনায় কোন মামলা রুজু করা হয়নি, কিন্তু ঘটনা সঠিক। কেন মামলা হয়নি তা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ব্যস্ত আছি পরে আপনার সাথে কথা বলবো।