ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড Logo কলকাতার কৃষ্ণ মাটিতে ফেলা হয়েছে এমপি আনারের মরদেহের কিছু টুকরো Logo শনিবার রাজধানীর যেসব সড়ক অর্ধবেলা বন্ধ থাকবে Logo সাড়ে ৩ লাখ টাকা উদ্ধার, খাতুনগঞ্জে ক্যাশবাক্স ভেঙে চুরি Logo এপ্রিলে সড়কে ঝরেছে ৬৭৯ প্রাণ, ক্ষতি ২ হাজার কোটি টাকার বেশি Logo চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে ৪৬ বিদ্যালয়ের শতভাগ পাস Logo বোয়ালখালীতে সাংবাদিক কে, এইচ, সামজাদের জন্মদিন পালিত Logo স্মার্ট পৌরসভা গড়তে সকলের সহযোগিতা চায়লেন পৌরমেয়র জহুর  Logo কাপ্তাই রাস্তার মাথায় ছোট যানবাহন টিকটিকি প্রবেশ করিলে চাঁদা দিতে হবে। Logo বোয়ালখালীতে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত বাংলাদেশ  পোপাদিয়া শাখার শুকনা ইফতার বিতরন
ই-পেপার দেখুন

পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা

  • বার্তা কক্ষ ::
  • আপডেট সময় ০৬:০৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২১
  • ৯৪১ বার পঠিত

কালেরপত্র ডেস্ক :

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলে দিতে পারব সেটা বলার কোনো সুযোগ নেই, পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

রবিবার (১৫ আগস্ট) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা করেছি। পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসতে হয়েছে। এখন করোনার যে সংক্রমণের হার, মৃত্যুর হার, সবকিছু মিলিয়ে যে অবস্থা, সেসব বিবেচনায় কবে নাগাদ আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারব সেটা বলার কোনো সুযোগ নেই।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার এখন নিম্নগামী। কাজেই আমরা আশা করি- সবাই যদি যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি তাহলে মৃত্যুহার আরও নেমে যাবে। বিশেষজ্ঞরা যেমন বলেন যে, শতকরা পাঁচ ভাগ বা তার কম হলে তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া যায়। সেটা যেমন আমরা মাথায় রাখছি, তেমনি একইসঙ্গে টিকার কার্যক্রম ব্যাপকভাবে শুরু হয়েছে।

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীও ঘোষণা দিয়েছেন আমাদের শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যারা আছেন তাদের সবাইকে টিকার আওতায় আনা হবে। যদি আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে টিকার আওতায় নিয়ে আসতে পারি, সেক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে আর বাধা থাকবে না।। শিক্ষক-কর্মচারীদের টিকা দেয়ার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের অধিকাংশকেও টিকাদান সম্পন্ন হয়েছে। কাজেই বাকি শিক্ষার্থীদেরও যদি আমরা টিকার আওতায় নিয়ে আসতে পারি, সেক্ষেত্রে সংক্রমণের হার পাঁচে না নামলেও আমরা একটা সিদ্ধান্ত নেব।’

মন্ত্রী বলেন, এখানে দুইটা বিষয়- এক সংক্রমণের হার কমে যাওয়া আর সবাইকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা। এ দুইটা যখন হবে তখন আমরা যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারব।

তিনি বলেন, ‘যেকোনো সময় সকল পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সার্বিক প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। এটি পুরোপুরি নির্ভর করে করোনা মহামারির অবস্থার ওপর- এটি কখন কী হয়! আমাদের গত বছরের অভিজ্ঞতা বলে- নভেম্বর-ডিসেম্বরে সংক্রমণ অনেক কমে গিয়েছিল। এ বছরও যদি সেটা হয় তাহলে সে সময়ে আমরা ভেবেছি- এসএসসি ও এইচএসসির পরীক্ষা নিতে পারব ইনশাল্লাহ। সেই অনুযায়ী আমরা পরীক্ষার সময়সূচি ঠিক করেছি। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও খুলে দেয়া সম্ভব হবে।’ তবে সবকিছুই করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে বলে জানান তিনি।

ট্যাগস :

আপনার মতামত লিখুন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড

পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা

আপডেট সময় ০৬:০৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২১

কালেরপত্র ডেস্ক :

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলে দিতে পারব সেটা বলার কোনো সুযোগ নেই, পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

রবিবার (১৫ আগস্ট) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা করেছি। পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসতে হয়েছে। এখন করোনার যে সংক্রমণের হার, মৃত্যুর হার, সবকিছু মিলিয়ে যে অবস্থা, সেসব বিবেচনায় কবে নাগাদ আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারব সেটা বলার কোনো সুযোগ নেই।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার এখন নিম্নগামী। কাজেই আমরা আশা করি- সবাই যদি যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি তাহলে মৃত্যুহার আরও নেমে যাবে। বিশেষজ্ঞরা যেমন বলেন যে, শতকরা পাঁচ ভাগ বা তার কম হলে তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া যায়। সেটা যেমন আমরা মাথায় রাখছি, তেমনি একইসঙ্গে টিকার কার্যক্রম ব্যাপকভাবে শুরু হয়েছে।

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীও ঘোষণা দিয়েছেন আমাদের শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যারা আছেন তাদের সবাইকে টিকার আওতায় আনা হবে। যদি আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে টিকার আওতায় নিয়ে আসতে পারি, সেক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে আর বাধা থাকবে না।। শিক্ষক-কর্মচারীদের টিকা দেয়ার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের অধিকাংশকেও টিকাদান সম্পন্ন হয়েছে। কাজেই বাকি শিক্ষার্থীদেরও যদি আমরা টিকার আওতায় নিয়ে আসতে পারি, সেক্ষেত্রে সংক্রমণের হার পাঁচে না নামলেও আমরা একটা সিদ্ধান্ত নেব।’

মন্ত্রী বলেন, এখানে দুইটা বিষয়- এক সংক্রমণের হার কমে যাওয়া আর সবাইকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা। এ দুইটা যখন হবে তখন আমরা যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারব।

তিনি বলেন, ‘যেকোনো সময় সকল পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সার্বিক প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। এটি পুরোপুরি নির্ভর করে করোনা মহামারির অবস্থার ওপর- এটি কখন কী হয়! আমাদের গত বছরের অভিজ্ঞতা বলে- নভেম্বর-ডিসেম্বরে সংক্রমণ অনেক কমে গিয়েছিল। এ বছরও যদি সেটা হয় তাহলে সে সময়ে আমরা ভেবেছি- এসএসসি ও এইচএসসির পরীক্ষা নিতে পারব ইনশাল্লাহ। সেই অনুযায়ী আমরা পরীক্ষার সময়সূচি ঠিক করেছি। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও খুলে দেয়া সম্ভব হবে।’ তবে সবকিছুই করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে বলে জানান তিনি।