ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ই-পেপার দেখুন

নিউ মার্কেটের আগুন নেভাতে সারারাত কাজ করবে ফায়ার সার্ভিস

  • বার্তা কক্ষ ::
  • আপডেট সময় ১২:১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৩
  • ৬৬৮ বার পঠিত

রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেটে লাগা আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট সম্মিলিতভাবে সারারাত এই উদ্ধার কার্যক্রম চালাবে বলে জানিয়েছে।

শনিবার (১৫ এপ্রিল) রাতে নিউমার্কেটের অগ্নিদুর্ঘটনার সবশেষ পরিস্থিতি কথা বলার সময় ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রেজাউল করিম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সারারাত এই উদ্ধার কার্যক্রম চলবে। ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট সম্মিলিতভাবে সারারাত এখানে কাজ করবে। আগুন এখনো পুরোপুরি নির্বাপণ করা যায়নি। আমাদের ১২টি ইউনিট এখনো কাজ করছে। তবে এখন আর বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা আমরা করছি না।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রেজাউল করিম বলেন, মার্কেটটির ফায়ার সেফটি সিস্টেম অত্যন্ত দুর্বল ছিল। ব্যবসায়ীরা সিটি কর্পোরেশন থেকে একটি দোকান বরাদ্দ নিয়ে করিডোরে আরও দুই-তিনটি সাব দোকান দিয়েছিলেন। যার কারণে করিডোরগুলো খুবই সংকীর্ণ হয়ে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে কাপড়ের মাধ্যমে আগুন ছড়িয়েছে।

এছাড়া মার্কেটের ফলস ছাদ, উপরে প্লাস্টিক আইটেম ও ব্যানার-পোস্টারের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এসব ব্যানার-পেস্টুনের বিষয়ে আমাদের সতর্ক হওয়া দরকার। এগুলো পরিহার করার সময় এসেছে বলেও তিনি জানান।

ট্যাগস :

আপনার মতামত লিখুন

নিউ মার্কেটের আগুন নেভাতে সারারাত কাজ করবে ফায়ার সার্ভিস

আপডেট সময় ১২:১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৩

রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেটে লাগা আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট সম্মিলিতভাবে সারারাত এই উদ্ধার কার্যক্রম চালাবে বলে জানিয়েছে।

শনিবার (১৫ এপ্রিল) রাতে নিউমার্কেটের অগ্নিদুর্ঘটনার সবশেষ পরিস্থিতি কথা বলার সময় ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রেজাউল করিম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সারারাত এই উদ্ধার কার্যক্রম চলবে। ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট সম্মিলিতভাবে সারারাত এখানে কাজ করবে। আগুন এখনো পুরোপুরি নির্বাপণ করা যায়নি। আমাদের ১২টি ইউনিট এখনো কাজ করছে। তবে এখন আর বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা আমরা করছি না।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রেজাউল করিম বলেন, মার্কেটটির ফায়ার সেফটি সিস্টেম অত্যন্ত দুর্বল ছিল। ব্যবসায়ীরা সিটি কর্পোরেশন থেকে একটি দোকান বরাদ্দ নিয়ে করিডোরে আরও দুই-তিনটি সাব দোকান দিয়েছিলেন। যার কারণে করিডোরগুলো খুবই সংকীর্ণ হয়ে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে কাপড়ের মাধ্যমে আগুন ছড়িয়েছে।

এছাড়া মার্কেটের ফলস ছাদ, উপরে প্লাস্টিক আইটেম ও ব্যানার-পোস্টারের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এসব ব্যানার-পেস্টুনের বিষয়ে আমাদের সতর্ক হওয়া দরকার। এগুলো পরিহার করার সময় এসেছে বলেও তিনি জানান।