ঢাকা শুক্রবার, ৯ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo যাঁদের গাড়ি পুড়িয়েছেন তারাই গাড়ি বের করতে ভয় পায়-শাহজাহান খান এমপি Logo তোঁয়ারাল্লাই আঁর পেট পুড়ের বলে শুরু করেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাষন Logo হাসিনার চট্টগ্রাম আগমনকে স্বাগত জানিয়ে মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপির পক্ষে শুভেচ্ছা মিছিলঃ Logo বোয়ালখালীতে মুহিউল উলুম ছুন্নিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসার উদ্বোধন Logo বোয়ালখালী আমুচিয়া ইউনিয়নের নাডা বিলে মিলল নিখোঁজ অটোরিকশা চালকের লাশ Logo জেলা যুবলীগের জহুরকে শুভেচ্ছা জানালেন শ্রীপুর-খরণদ্বীপ যুবলীগ Logo হযরত সৈয়দ মারূফ, সৈয়দ কুতুব(রহ:)বার্ষিক ওরশ শরীফের প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন Logo মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমনে সি.এম.পির রুট ম্যাপ। Logo বোয়ালখালীতে গরু লুটের প্রতিবাদে মানববন্ধন প্রশাসনের কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি Logo বোয়ালখালীতে একাধিক ডাকাতি মামলার আসামী চোলাই মদসহ গ্রেফতার
ই-পেপার দেখুন

জুমার দিনের বিশেষ আমল

  • বার্তা কক্ষ ::
  • আপডেট সময় ১১:০৭:০৭ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৫ আগস্ট ২০২১
  • ৬৫২ বার পঠিত

কালেরপত্র ডেষ্ক :

আমলের দিক থেকে আল্লাহ তায়ালা যেসব দিনকে ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ করেছেন এর অন্যতম হলো জুমার দিন। এ দিনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অনেক আহকাম ও ঐতিহাসিক নানা ঘটনা। সপ্তাহের দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ।

কোরআন-হাদিসের বিভিন্ন ব্যাখ্যা দ্বারা এই দিনের মর্যাদার কথা জানা যায়। রাসুল সা. বলেন, ‘নিঃসন্দেহে জুমার দিন সেরা দিন ও আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন। আল্লাহর কাছে তা ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতরের দিনের চেয়েও উত্তম।’ ইবনে মাজাহ

অন্য হাদিসে আছে, ‘যেসব দিনে সূর্য উদিত হয়েছে এরমধ্যে সর্বোত্তম হলো জুমার দিন।’ জুমার দিনকে মুসলমানদের ঈদের দিন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

জুমার ফজিলত সম্পর্কে রাসুল সা. বলেছেন, ‘এক জুমা থেকে অপর জুমা উভয়ের মাঝের (গোনাহের জন্য) কাফ্ফারা হয়ে যায়, যদি কবিরা গোনাহের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হয়ে থাকে। মুসলিম

রাসুল সা. অন্য হাদিসে বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করে সকাল সকাল মসজিদে আসবে এবং ইমামের নিকটবর্তী হবে এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শুনবে ও চুপ থাকবে তার জুমার সালাতে আসার প্রত্যেক পদক্ষেপে এক বছরের নামাজ ও রোজা পালনের সওয়াব হবে।’ তিরমিজি

জুমার দিনের কিছু আমল:

১। জুমার দিন গোসল করা। যাদের ওপর ফরজ তাদের জন্য এ দিনে গোসল করাকে রাসুল সা. ওয়াজিব বলেছেন।

২। জুমার নামাজের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা।

৩। মিস্ওয়াক করা।

৪। উত্তম পোশাক পরিধান করে সাধ্যমতো সাজসজ্জা করা।

৫। মুসল্লিদের ইমামের দিকে মুখ করে বসা।

৬। মনোযোগ সহকারে খুত্‍বা শোনা এবং খুত্‍বা চলাকালীন চুপ থাকা- এটা ওয়াজিব।

৭। আগে থেকেই মসজিদে যাওয়া।

৮। সম্ভব হলে পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া।

৯। জুমার দিন ও জুমার রাতে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা।

১০। নিজের সবকিছু চেয়ে এ দিন বেশি বেশি দোয়া করা।

১১। কেউ মসজিদে কথা বললে ‘চুপ করুন‘ এতোটুকুও না বলা।

১২। মসজিদে যাওয়ার আগে কাঁচা পেঁয়াজ-রসুন না খাওয়া ও ধূমপান না করা।

১৩। খুত্‍বার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা। কোনো ব্যক্তি যদি জান্নাতে প্রবেশের উপযুক্ত হয়, কিন্তু ইচ্ছা করেই জুমার নামাজে ইমাম থেকে দূরে বসে, তবে সে দেরিতে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

১৪। এতোটুকু জোরে আওয়াজ করে কোনো কিছু না পড়া, যাতে অন্যের ইবাদত ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে।

ট্যাগস :

যাঁদের গাড়ি পুড়িয়েছেন তারাই গাড়ি বের করতে ভয় পায়-শাহজাহান খান এমপি

জুমার দিনের বিশেষ আমল

আপডেট সময় ১১:০৭:০৭ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৫ আগস্ট ২০২১

কালেরপত্র ডেষ্ক :

আমলের দিক থেকে আল্লাহ তায়ালা যেসব দিনকে ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ করেছেন এর অন্যতম হলো জুমার দিন। এ দিনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অনেক আহকাম ও ঐতিহাসিক নানা ঘটনা। সপ্তাহের দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ।

কোরআন-হাদিসের বিভিন্ন ব্যাখ্যা দ্বারা এই দিনের মর্যাদার কথা জানা যায়। রাসুল সা. বলেন, ‘নিঃসন্দেহে জুমার দিন সেরা দিন ও আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন। আল্লাহর কাছে তা ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতরের দিনের চেয়েও উত্তম।’ ইবনে মাজাহ

অন্য হাদিসে আছে, ‘যেসব দিনে সূর্য উদিত হয়েছে এরমধ্যে সর্বোত্তম হলো জুমার দিন।’ জুমার দিনকে মুসলমানদের ঈদের দিন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

জুমার ফজিলত সম্পর্কে রাসুল সা. বলেছেন, ‘এক জুমা থেকে অপর জুমা উভয়ের মাঝের (গোনাহের জন্য) কাফ্ফারা হয়ে যায়, যদি কবিরা গোনাহের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হয়ে থাকে। মুসলিম

রাসুল সা. অন্য হাদিসে বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করে সকাল সকাল মসজিদে আসবে এবং ইমামের নিকটবর্তী হবে এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শুনবে ও চুপ থাকবে তার জুমার সালাতে আসার প্রত্যেক পদক্ষেপে এক বছরের নামাজ ও রোজা পালনের সওয়াব হবে।’ তিরমিজি

জুমার দিনের কিছু আমল:

১। জুমার দিন গোসল করা। যাদের ওপর ফরজ তাদের জন্য এ দিনে গোসল করাকে রাসুল সা. ওয়াজিব বলেছেন।

২। জুমার নামাজের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা।

৩। মিস্ওয়াক করা।

৪। উত্তম পোশাক পরিধান করে সাধ্যমতো সাজসজ্জা করা।

৫। মুসল্লিদের ইমামের দিকে মুখ করে বসা।

৬। মনোযোগ সহকারে খুত্‍বা শোনা এবং খুত্‍বা চলাকালীন চুপ থাকা- এটা ওয়াজিব।

৭। আগে থেকেই মসজিদে যাওয়া।

৮। সম্ভব হলে পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া।

৯। জুমার দিন ও জুমার রাতে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা।

১০। নিজের সবকিছু চেয়ে এ দিন বেশি বেশি দোয়া করা।

১১। কেউ মসজিদে কথা বললে ‘চুপ করুন‘ এতোটুকুও না বলা।

১২। মসজিদে যাওয়ার আগে কাঁচা পেঁয়াজ-রসুন না খাওয়া ও ধূমপান না করা।

১৩। খুত্‍বার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা। কোনো ব্যক্তি যদি জান্নাতে প্রবেশের উপযুক্ত হয়, কিন্তু ইচ্ছা করেই জুমার নামাজে ইমাম থেকে দূরে বসে, তবে সে দেরিতে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

১৪। এতোটুকু জোরে আওয়াজ করে কোনো কিছু না পড়া, যাতে অন্যের ইবাদত ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে।