ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo চট্টগ্রাম পটিয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ Logo সীতাকুন্ডে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা রুবেল খান গ্রেফতার Logo সাতকানিয়া থানা পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম Logo আশুতোষ কলেজ প্রাঙ্গণে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ Logo বোয়ালখালী পুলিশের সফল অভিযান: অটোরিকশা ছিনতাই মামলার প্রধান আসামী রিগ্যান বিশ্বাস গ্রেফতার Logo বোয়ালখালীতে পীরে ত্বরিকত মুফতি আব্দুর রহিম আলকাদেরী (রহ.)-এর ২য় বার্ষিক ওরশ অনুষ্ঠিত Logo ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর সঙ্গে চেয়ারম্যান হামিদুল হক মন্নান Logo বোয়ালখালীতে  লাকড়ি রাখার ঘর থেকে ১০ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার Logo শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বোয়ালখালীতে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo বোয়ালখালীতে খালে ফেলা হলো অর্ধশতাধিক পশুর চামড়া
ই-পেপার দেখুন

চট্টগ্রাম পটিয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ

  • বার্তা কক্ষ ::
  • আপডেট সময় ০৯:৩২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ৫৩৫ বার পঠিত

চট্টগ্রাম (পটিয়া) প্রতিনিধি ➤চট্টগ্রামের পটিয়া প্রেস ক্লাবে প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় দৈনিক যুগান্তর ও বাংলা টিভির পটিয়া প্রতিনিধি আবেদুজ্জমান আমেরী আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিক সূত্রে জানা যায়, যুবদল নেতা এস এম রেজা রিপনের নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল প্রেস ক্লাবে প্রবেশ করে। তারা সেখানে অবস্থানরত সাংবাদিকদের জোরপূর্বক বের করে দেয় এবং তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় সাংবাদিক আবেদুজ্জমান আমেরীকে মারধর করা হয়।

আহত সাংবাদিক আমেরী জানান, “আমরা প্রতিদিনের মতো পটিয়া প্রেস ক্লাবে বসেছিলাম। হঠাৎ এস এম রেজা রিপনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী সেখানে প্রবেশ করে। তারা অন্য সাংবাদিকদের জোরপূর্বক বের করে দেয় এবং আমাকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে হত্যা চেষ্টা চালায়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো সত্ত্বেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ৬ মার্চ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ‘শ্রীমাই খালে দুই যুবদল নেতার ধ্বংসযজ্ঞ’ শীর্ষক প্রতিবেদনের কারণে পটিয়ার তৎকালীন এমপির নির্দেশে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে এস এম রেজা রিপন তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় এমপি ও পটিয়া থানার ওসিকে আগেই অবহিত করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

হামলার ঘটনায় প্রেস ক্লাব এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পটিয়া প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “পুলিশের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”

পটিয়ার সাংবাদিক সমাজে চলমান এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিক নেতারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের ওপর হামলা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। তারা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ট্যাগস :

আপনার মতামত লিখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম পটিয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ

চট্টগ্রাম পটিয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:৩২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম (পটিয়া) প্রতিনিধি ➤চট্টগ্রামের পটিয়া প্রেস ক্লাবে প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় দৈনিক যুগান্তর ও বাংলা টিভির পটিয়া প্রতিনিধি আবেদুজ্জমান আমেরী আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিক সূত্রে জানা যায়, যুবদল নেতা এস এম রেজা রিপনের নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল প্রেস ক্লাবে প্রবেশ করে। তারা সেখানে অবস্থানরত সাংবাদিকদের জোরপূর্বক বের করে দেয় এবং তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় সাংবাদিক আবেদুজ্জমান আমেরীকে মারধর করা হয়।

আহত সাংবাদিক আমেরী জানান, “আমরা প্রতিদিনের মতো পটিয়া প্রেস ক্লাবে বসেছিলাম। হঠাৎ এস এম রেজা রিপনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী সেখানে প্রবেশ করে। তারা অন্য সাংবাদিকদের জোরপূর্বক বের করে দেয় এবং আমাকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে হত্যা চেষ্টা চালায়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো সত্ত্বেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ৬ মার্চ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ‘শ্রীমাই খালে দুই যুবদল নেতার ধ্বংসযজ্ঞ’ শীর্ষক প্রতিবেদনের কারণে পটিয়ার তৎকালীন এমপির নির্দেশে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে এস এম রেজা রিপন তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় এমপি ও পটিয়া থানার ওসিকে আগেই অবহিত করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

হামলার ঘটনায় প্রেস ক্লাব এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পটিয়া প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “পুলিশের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”

পটিয়ার সাংবাদিক সমাজে চলমান এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিক নেতারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের ওপর হামলা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। তারা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”